বাড়তে পারে ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষার আবেদনের সময়সীমা

গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষার আবেদন শুরু হলেও গত কয়েক বছরের তুলনায় এবছর তেমন আশানুরুপ আবেদন জমা পড়েনি। যেখানে গত কয়েকটি বিসিএস পরীক্ষায় আবেদনের সময় শুরুর প্রথম সপ্তাহে প্রায় এক লাখ আবেদন জমা পড়তো সেখানে ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত আবেদন জমা পড়েছে মাত্র বারো হাজার।

৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় আবেদনের এই আকস্মিক হ্রাস সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে পিএসসির নিয়ন্ত্রণ শাখার কর্মকর্তারা দায়ী করছেন করোনা ভাইরাসকে। তারা বলছেন, করোনা ভাইরাসের কারণে গত বছর অর্থাৎ ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে শিক্ষা ব্যবস্থা স্থবির হয়ে আছে। থেমে আছে জাতীয় ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ফাইনাল পরীক্ষা। ফলে অনেক শিক্ষার্থীই সেশন জটে ভুগছেন, যার ফলাফল হিশেবে ধরে নেয়া হচ্ছে ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় কম আবেদন সংখ্যা।

এর মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পিএসসেইর কাছে আবেদন জানিয়েছেন যাতে অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা অ্যাপেয়ার্ড সার্টিফিকেট দিয়ে ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় আবেদন করতে পারে। সুতরাং এ বিষয়টি পিএসসির বিবেচনায় রয়েছে। তবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে কিছুই বলা যাচ্ছে না।

৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় আবেদনের সময়সীমা বৃদ্ধি পাবে কিনা এ প্রসঙ্গে পিএসসি চেয়ারম্যান বলেন, “বিগত কয়েক বছর বিসিএস পরীক্ষায় চার লাখের বেশী আবেদন জমা পড়লেও এবার আবেদন সংখ্যা কম। তবে এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় এখনো আসেনি। আমরা শেষ সময় পর্যন্ত দেখতে চাই। আবেদনের সংখ্যা ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে”। তিনি আরও বলেন, ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষার কাজ তারা এক বছরের মধ্যে শেষ করতে চান। আবেদনের সময়সীমা বাড়লে সময়ক্ষেপন হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘায়িত হবে পরীক্ষার সময়। ফলে যাদের বয়স শেষেরদিকে তারে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না। তবে আবেদনের মূল সময়সীমা শেষে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষার সময় বাড়ানোর প্রয়োজন আছে কিনা।   

error: Content is protected !!